রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা
১ একেকটা রাত আছে, গিলে নেয়। হাওয়ারা শিস দেয়। মাথার ওপর পালক উড়তে থাকে। তুমি জান না, জানতেই পার না, […]
১ একেকটা রাত আছে, গিলে নেয়। হাওয়ারা শিস দেয়। মাথার ওপর পালক উড়তে থাকে। তুমি জান না, জানতেই পার না, […]
১ ছুঁয়ে দেখো রেখাগুলো,উষ্ণতা পাবে ছুঁয়ে দেখো ঘাম ছুঁয়ে দেখো অ্যাবসিস ,তার ফেলে যাওয়া দাগ..বিলাসিতা, ছুঁয়ে দেখো অন্ধকার কালো ছুঁয়ে
ফরমালিন মুক্ত প্রেম কিম্বা ঈশ্বরের হাত ১ নিজেকে অ্যাফ্রোদিতে হিসেবে ভাবতে গিয়ে রাত বেড়ে যায়। ঘুমিয়ে পড়লে ঘুমন্ত ছায়ার পাশে
বিমোচন আবার একটা আপডেট! আজকাল মাসে মাসে অ্যান্ড্রয়েড নতুন আপডেট চাইছে। কি উৎপাত রে বাবা! একটু ধাতস্থ হতে না হতে
আমার ওপর ভরসা রাখুন, আমি আপনাদের পাশে আছি অথবা বহুদিন পর পর এরকম একেকটা সকাল আসে বহুদিন পর পর এরকম
উপত্যকামৃত্যু নামবেকখনো বালিরেখায়এভাবে ভিড় বাড়ছে,এভাবে বারান্দা ভরে উঠবে ঢেউ, দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলোনেদুপুর গড়বে বালিশ আরচুরি হবে দ্বিতীয় পরিচ্ছদের উত্তাপআকাশের রেইনকোট
সৌপ্তিকঃ নব্বইয়ের গোড়া থেকে ২০২৫, আজ পঁয়ত্রিশ বছর তুমি কবিতা লিখছ। সেই ‘নাবিক জন্মের ভবিষ্য’, ১৯৯৮ থেকে ‘প্রিয় কার্ডিগান’, ২০২১।
একতীব্র জাহাজ ভাঙে শহরে তোমার ধুলো ওড়ে ঘরবাড়ি ওড়ে ঘুরে ঘুরে এখনো মাদলরাতে কামারি কামার ধাতব আগুনে মারে নিষ্ঠ হাতুরি তীব্র শব্দ হয় দুইঘুম ভেঙে কফিশপে এসো এখানে শরৎকাল আলোর উদগম বিস্মৃতি
দ্বিতীয় তুমি কলকাতার একটা বারে বসে লিখছো একটা ফিনিশ হয়ে যাওয়া আসলামের কথা,আসলামকে চেনোনা লিখছো কারণ আসলামকে তারা চেনে যাদের
ডিম সেদ্ধ আরে, খা তো বাঁড়া, নখরা করিস না। আরে, বাল, একদিন খেলে কিছু যাবে আসবে না। এখানে কিন্তু আর